img

অনুর্দ্ধ ২৩ ক্রিকেটে ত্রিপুরার দুরন্ত জয়

১৫ নভেম্বর: রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে ত্রিপুরা। অন্তিম ওভারে। তাও ঠিক ৩ বল বাকি থাকতে। তিন উইকেটের ব্যবধানে প্রতিপক্ষ হায়দরাবাদ কে হারিয়ে। খেলা বিসিসিআই আয়োজিত পুরুষদের অনূর্ধ্ব ২৩ স্টেট এ ট্রফি এলিট ডি গ্রুপের। চতুর্থ ম্যাচের মাথায় প্রথম জয় নিছক সান্তনার। কেননা টানা তিনটি ম্যাচে হেরে ত্রিপুরা দল এমনিতেই এলিট ডি গ্রুপে অনেকটা পেছনের তালিকায়। তবুও ভিন রাজ্যের মাঠে জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটে একটা জয় ত্রিপুরা দলকে, এমনকি রাজ্যের ক্রীড়া আঙিনায় একটু হলেও মনোবল বাড়িয়ে তোলে। জয়পুরে ড. সোনি স্টেডিয়ামে সকালে টস জিতে হায়দ্রাবাদ প্রথমে ব্যাটিং এর সিদ্ধান্ত নেয়। ৪৮.২ ওভার খেলে হায়দ্রাবাদ ২১৫ রানে ইনিংস শেষ করে। দলের পক্ষে প্রণব ভার্মা সর্বাধিক ৫৩ রান পায় ৫০ টি বল খেলে একটি বাউন্ডারি ও পাঁচটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে। এছাড়া, নীতিন সাঁই যাদবের ৪১ রান এবং সার্থক ভরদ্বাজের ৩৪ রাউন্ড কিছুটা উল্লেখ করার মতো। ত্রিপুরা দলের বোলার অর্কজিৎ রায় ৩৮ রানে তিনটি উইকেট পেয়েছিল। এছাড়া, দীপেন বিশ্বাস ও সৌরভ করের দুটি করে উইকেট এবং স্বরাব সাহানি ও সন্দীপ সরকারের একটি করে উইকেট দখল ত্রিপুরা দলকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত পঞ্চাশ ওভার ফুরিয়ে যাওয়ার তিন বল বাকি থাকতে ৭ উইকেট হারিয়ে ত্রিপুরা জয়ের প্রয়োজনীয় রান সংগ্রহ করে নেয়। দুর্লভ রায়ের অনবদ্য ব্যাটিং পাশাপাশি ৩৮ বল খেলে তিনটি করে বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে অপরাজিত ভূমিকায় ৫২ রান সংগ্রহ করে দলকে জয় এনে দেয়। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে  তনময় দাসের ৪৮ রান এবং সপ্তজিৎ দাসের ৪১ রান বেশ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, আনন্দ ভৌমিকের ২৮ রান এবং সাহিল সুলতানের ২৭ রান রাজ্য দলের জয়ের পেছনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। হায়দ্রাবাদের বোলার দীনেশ রাঠোর চারটি উইকেট পেয়েছিল ৪৮ রানের বিনিময়ে।